এস ই ও ১ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের প্রাথমিক ধারণা



সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন ,সংক্ষেপে বলা হয় SEO ।সার্চ ইঞ্জিন অপটিমিজেশন এক ধরনের প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কোন সাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের কাছে গুরুত্বপূর্ণ করে তোলা হয়।এটা কখনও এক দিনে সম্পন্ন করা যায় না।এটা একটা দীর্ঘমেয়াদী এবং চলমান প্রক্রিয়া।কোন সাইটকে ভাল ভাবে অপটিমাইজ করার জন্য প্রথম থেকেই পরিকল্পনা করতে হবে।

বর্তমানে যে এস ই ও করা হয় তা মূলত গুগলকে ভিত্তি করে।এছাড়াও ইয়াহু এবং বিং কেও গুরত্ব দেওয়া হয় তবে তা গুগলের মত না।কেন গুগল্ কে এত গুরত্ব দেওয়া হয় তা নিচের ডাটা দেখলেয় বুঝতে পারবেন।২০১৩ সালের জানুয়ারী মাসে গুগলের সার্চ ট্রাফিক ৭৩.৮৯%,ইয়াহু এবং বিং এ যথাক্রমে ৮.১৯% ও ৭.২৭% ।

search engine usage stats 2017

সার্চ ইঞ্জিনের প্রধান কাজ হল সার্চ দেওয়া কিওয়ার্ড গুলোর জন্য সেরা বা রিলেটেড রেজাল্ট গুলো পর্যায়ক্রমে ভিজিটরের সামনে তুলে ধরা।ভিজিটররা সাধারণত সার্চ রেজাল্টের প্রথম ১-২ পেজের মধ্যে নিজের কাঙ্খিত সাইটটি খুজে নেবার চেষ্টা করে।যদি না পায় তাহলে ভিন্ন কিওয়ার্ড দিয়ে সার্চ দেয়।

এ কারণে সবাই চাই নিজের সাইটটাকে একটা নিদৃষ্ট কিওয়ার্ডের জন্য সার্চ রেজাল্ট এর সবার উপরে রাখা।আর এ কারনে শুরু হয় বিভিন্ন ধরনের স্পাম।অনেকে আছেন সার্চ রেজাল্টের এই দুর্বলতা নিয়ে খেলতে ভালবাসেন।যেমন ধরেন,হেডিং ট্যাগে অতিরিক্ত বা অবাঞ্চিত কিওয়ার্ড ব্যাবহার করা,ফিসিং পেজ বানান,অদৃশ্য কিওয়ার্ড ব্যাবহার,অন্যের কনটেন্ট চুরি করে ব্যাবহার করা ইত্যাদি।এগুলো সব ব্লাক হ্যাট এস ই ও ।আমরা শুধূ মাত্র হোয়াইট হ্যাট এস ই ও নিয়ে আলোচনা করব।

গুগলের এই জনপ্রিয়তার অন্যতম কারণ কি জানেন? তারা ভিজিটর যা চায় ঠিক সেই রেজাল্ট গুলোই দেবার চেষ্টা করে।এ কারনে আমরা সার্চ দেবার জন্য গুগলকেই বেশি পছন্দ করি ।যে কারনে গুগলকে সার্চ ইঞ্জিনের জায়ান্ট বলা হয়।

গুগল যদি তাদের এই জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে চাই তাহলে তাদের এই সঠিক রেজাল্ট দেবার অভ্যাসটা বজায় রাখতে হবে।কিন্তু অতিরিক্ত স্পামিং তাদের এই সঠিক রেজাল্ট দেবার জন্য বাধা স্বরুপ।কারণ স্পামিং এর কারনে অনেক অবাঞ্চিত ওয়েব সাইট সার্চ রেজাল্টের প্রথমে চলে আসে।

এই স্পামিং দূর করার জন্য গুগল বিভিন্ন সময় তার সার্চ ইঞ্জিন এলগরিদম চেঞ্জ করে।তারই ধারাবাহিকতাই গুগলের শেষ সার্চ ইঞ্জিন এলগরিদম হল পান্ডা এবং পেংগুইন আপডেট।আর এই সার্চ ইঞ্জিন এলগরিদম চেঞ্জ হবার সাথে সাথে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন করার পদ্ধতিতেও পরিবর্তন আনা হয়।

এখন প্রশ্ন হল আপন কেন সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজ করবেন? আপনি এস ই ও না করলে আপনার সাইট সম্পর্কে মানূষ জানতে পারবেনা। আর ভিজিটর ছাড়া কোন সাইট চালান যায় না।আপনার সাইট শেষে আপনাকেই পড়তে হবে।যেমন আমাদের এই সাইট এখন শুধূ আমরাই পড়ি।

যায় হোক,এস ই ও ২ ভাবে করা যায়।

১।অনপেজ অপটিমাইজেশন যা শুধু মাত্র আপনার সাইটের টেমপ্লেট,পোস্ট ইত্যাদির মধ্যে করা হয়।যেমন টাইটেল ট্যাগ,হেডিং ট্যাগ ,মেটা ট্যাগ ইত্যাদি।

২।অফপেজ অপটিমাইজেশন ব্যাকলিঙ্ক ,সোসাল লিঙ্ক,পেজ র‌্যাঙ্ক ইত্যাদি।

আজকে এ পর্যন্তই।কেমন লাগল জানাবেন। পরের চেইন টেকে দেখা হবে ।



টেকহাব এর সাথে থাকবেন। কপিরাইট © ২০১৭ | প্রকাশিত লেখাসমুহ টেকহাব.কম.বিডি দ্বারা সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুগ্রহপূর্বক অনুমতি ব্যতীত এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা অন্য কোথাও প্রকাশ করবেন না করলে আইনত ব্যবস্তা গ্রহন করা হবে, ধন্যবাদ।

3 COMMENTS

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here