SSL এর প্রকারভেদ 

SSL বিভিন্ন প্রকারের হয়ে থাকে। তবে ভেলিডেশনের উপর ভিত্তি করে SSL তিন ধরণের হয়ে থাকে। যেমন-

১. ডোমেইন ভেলিডেশন (Domain Validation)-

এ ধরণের SSL সাধারণত আপনার ইমেইল এড্রেস অথবা DNS Record এর উপর ভিত্তি করে ডোমেইন ভেলিডেট করে থাকে। মূলত ডোমেইন নেমেরে মালিক যে আপনি সেটার ভেলিডেশন করায় এটার কাজ।

যাদের প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দরকার পড়ে না তারা এই ধরণের SSL ব্যবহার করতে পারে এবং এটি বেশ চিপও বটে। মাত্র কয়েক ঘন্টার মধ্যেই এটি একটিভ করা যায়।

২. প্রাতিষ্ঠানিক ভেলিডেশন (Organization Validation)

ই-কমার্স বা ব্যবসায়িক ওয়েব সাইটের জন্য এটায় সব থেকে কম দামের SSL সার্টিফিকেট। ডোমেইন ভেলিডেশন এবং অর্গানাইজেশন ভেলিডেশনের মধ্যে পার্থক্য হলো ডোমেইন ভেলিডেশন শুধুমাত্র ডোমেইন সার্টিফিকেশন দেয় অন্যদিকে অর্গানাইজেশন ভেলিডেশন প্রাতিষ্ঠানিক এড্রেস, লোকেশন সহ অন্যান্য বেশ কিছু ভেলিডেশন দেয়। সাধারণত ২-৩ দিন লাগে এটা ভেলিডেট করতে।

৩. এক্সটেনডেট ভেলিডেশন (Extended Validation)

যেইসব ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কোন ট্রানজেকশন হয় সেখানে এক্সটেনডেট ভেলিডেশন খুবই গুরুত্বপুর্ণ। বেশিরভাগ ব্যাংক বা ফিন্যান্সিয়াল কর্মকাণ্ডে জড়িত প্রতিষ্ঠানরা এটা ব্যবহার করে এবং এটিই সবথেকে জনপ্রিয় বা বিশ্বস্ত গ্রিন সিগনাল প্রদান করে। সাধারণত ৭-১০ দিন সময় লাগে এই সেবা এক্টিভ করতে।



টেকহাব এর সাথে থাকবেন। কপিরাইট © ২০১৭ | প্রকাশিত লেখাসমুহ টেকহাব.কম.বিডি দ্বারা সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুগ্রহপূর্বক অনুমতি ব্যতীত এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা অন্য কোথাও প্রকাশ করবেন না করলে আইনত ব্যবস্তা গ্রহন করা হবে, ধন্যবাদ।

 

Author: UDOY

Hlw,I am Udoy Saha Abir.

Leave a Reply

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here